You are here: HomeNews Flash সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ ‘নোবিপ্রবিতে ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষকদের কর্মবিরতি’ শীর্ষক খবরের প্রতিবাদ।

Home

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিঃ ‘নোবিপ্রবিতে ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষকদের কর্মবিরতি’ শীর্ষক খবরের প্রতিবাদ।

Share


                                                                                                   নোবিপ্রবি/জনসংযোগ-০৭/২০১৭                 ০২ ফেব্রুয়ারী ২০১৭


সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়

‘নোবিপ্রবিতে ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষকদের কর্মবিরতি’ শীর্ষক খবরের প্রতিবাদ।

বরাবর
সম্পাদক
যুগান্তর, ক-২৪৪ প্রগতি সরণি, কুড়িল (বিশ্বরোড)
বারিধারা, ঢাকা-১২২৯।

বিষয়: ‘নোবিপ্রবিতে ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষকদের কর্মবিরতি’ শীর্ষক খবরের প্রতিবাদ।

গত ৩১ জানুয়ারী ২০১৭ বহুল প্রচারিত যুগান্তর পত্রিকার ২২ নং পাতায় প্রকাশিত ‘নোবিপ্রবিতে ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষকদের কর্মবিরতি ’ শীর্ষক সংবাদটি আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সম্পূর্ণ মনগড়া ও উদ্ভট তথ্যাদি দিয়ে প্রতারণামূলক, উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও প্রতিহিংসামূলক এ সংবাদটি প্রকাশ করা হয়েছে। আমরা এমন সংবাদের তীব্র প্রতিবাদ ও নিন্দা জানাচ্ছি।
সংবাদে বলা হয়েছে, ফার্মেসী বিভাগের চারজন শিক্ষককে পদোন্নতি দেয়ার দাবিতে গত সোমবার (৩০ জানুয়ারী ২০১৭) সকাল ৯টা থেকে লাগাতার সব শিক্ষাকার্যক্রম বন্ধ করে কর্মবিরতি পালন করেছেন শিক্ষকরা। একই সঙ্গে ওই বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থী প্রশাসনিক প্রাঙ্গনে ভিসিকে অবরুদ্ধ করেন। আমরা দৃঢ়ভাবে বলতে চাই, প্রকৃত অর্থে এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি। এতে ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট থাকার প্রশ্নই আসে না। সুতরাং উপাচার্য মহোদয়কে অবরুদ্ধ করার বিষয়টিও সর্ম্পূর্ণ ভিত্তিহীন, বানোয়াট ও মনগড়া। অধিকন্তু উপাচার্য মহোদয় এবং প্রশাসনের আন্তরিক চেষ্টায় শিক্ষকদের পদোন্নতির ইন্টারভিউ বোর্ড আগামী ০৩.০২.২০১৭ তারিখ নির্ধারিত হয়।
প্রকাশিত সংবাদে বলা হয়েছে, পদোন্নতির বিধি থাকলেও চার শিক্ষককে পদোন্নতি না দিয়ে উপাচার্য বিধি লংঘন করে তার অনুগত সহকারী অধ্যাপক ড. ইউনুস মিয়াকে (ড. মোহাম্মদ ইউছুফ মিঁঞা) গত ২২ জানুয়ারি জরুরি বৈঠক করে পদোন্নতি দেন। এটি ছিল নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতি। সুতরাং পদোন্নতির বিষয়ে উপাচার্য প্রফেসর ড. এম অহিদুজ্জামান কোনো শিক্ষকের ব্যাপারে বিশেষ সহানুভূতি প্রকাশ বা বিধি লংঘন করেননি। এ বিষয়ে ফার্মেসী বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ একমত পোষণ করেছেন। উপরন্তু সংশ্লিষ্ট বিভাগটির শিক্ষকদের পক্ষ থেকে এ ধরনের মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও কল্পনাপ্রসূত সংবাদ প্রকাশের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদও জানানো হয়েছে।
সংবাদ প্রতিবেদনে সংশ্লিষ্ট সংবাদদাতা উপাচার্যের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে কথা হয়েছে মর্মে যে বক্তব্য সংবাদে লিখেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা। উপাচার্যের সঙ্গে এ প্রতিবেদকের কোনো প্রকার আলাপ হয়নি।
এ ধরণের মিথ্যা, ভিত্তিহীন ও বায়বীয় সংবাদ ইতিপূর্বেও কয়েকবার যুগান্তর পত্রিকায় এ প্রতিবেদকের নামে প্রকাশিত হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যার যথাযথ প্রতিবাদও দেয়া হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় যুগান্তরের জেলা প্রতিনিধির বিরুদ্ধে গত ১০ মার্চ ২০১৬ নোয়াখালী জেলা আদালতে উপাচার্য মহোদয় বাদী হয়ে দ-বিধির ৫০০/৫০১/৫০২ ধারা মোতাবেক একটি ফৌজদারি মামলা দায়ের করেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তিনি সংবাদ ও সাংবাদিকতার নীতি-নৈতিকতাকে উপেক্ষা করে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ও এর উপাচার্যের বিরুদ্ধে একের পর এক ষড়যন্ত্রমূলক ও প্রতিহিংসামূলক সংবাদ প্রকাশ করে যাচ্ছেন। এ প্রতিবেদক অত্র বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট যেকোনে স্বাভাবিক কার্যক্রমকে, সংবাদ উপাদান নেই এমন যেকোনো ঘটনাকেই তিল থেকে তালে পরিণত করে পত্রিকায় প্রকাশ করে থাকেন। ৩১ জানুয়ারী ২০১৭ তারিখে প্রকাশিত প্রতিবেদনটি তারই ধারাবাহিকতা। উক্ত প্রতিবেদনে প্রকৃত ঘটনা লুকিয়ে প্রতিহিংসাপরায়ণ হয়ে সংবাদ সূত্র, সংবাদ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের বক্তব্য সম্পূর্ণ বিকৃত করে প্রকাশ করা হয়েছে। এতে করে দেশের প্রথম শ্রেণীর পত্রিকা দৈনিক যুগান্তর এর একজন জেলা প্রতিনিধির শিক্ষা ও তথ্য সরবরাহের মান কতটা নিম্ন হতে পারে সেই প্রশ্ন থেকেই যায়। 
পরিশেষে আমরা বলতে চাই, সংবাদে যা উল্লেখ করা হয়েছে এটি সম্পূর্ণ মিথ্যাচার, ষড়যন্ত্র ও প্রতারণামূলক এবং এটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অগ্রযাত্রাকে ব্যহত করার অপচেষ্টা। আমরা আশা করি যুগান্তর পত্রিকা কর্তৃপক্ষ তদন্তপূর্বক সংশ্লিষ্ট প্রতিবেদকের বিরুদ্ধে তাদের করণীয় নির্ধারণ করবে। পাশাপাশি প্রকাশিত সংবাদটির একই জায়গায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রেরিত এ প্রতিবাদ লিপিটি ছাপানোর অনুরোধ করা গেল।

Latest News

Noakhali Science And Technology University, Sonapur, Noakhali-3814